বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, কাঠ ব্যবসায়ী ও একটি স্কুলের সভাপতি আসাদুজ্জামান সেরনিয়াবাত বাদলকে পুলিশি নির্যাতনের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে গৌরনদী সার্কেল এএসপি নাঈমুর রহমানকে।

শনিবার দুপুরে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বাদলকে নির্যাতন করে রক্তাক্ত ও জখম করেন।

এদিকে তদন্তের দায়িত্ব পাবার পর আজ রোববার সকালে সহকারী পুলিশ সুপার নাঈমুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি সেরাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও কাঠ ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান সেরনিয়াবাত বাদলের সাথে দেখা করে তার বক্তব্য শোনেন। এরপর দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল আগৈলঝাড়া দক্ষিণ শিহিপাশা গ্রামের সিরুর দোকান এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

এএসপি নাঈমুর রহমান নয়া দিগন্তকে জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে, তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুব দ্রুতই পুলিশ সুপারের নিকট তদন্তের রিপোর্ট জমা দেয়া হবে।

অন্যদিকে ওসি মনিরুল ইসলাম দুপুরে এমপির বাড়িতে যাবার পথে সেরাল গ্রাম অতিক্রমকালে বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের দক্ষিণ শিহিপাশা গ্রামে সিরুর দোকানের কাছে রাস্তার পাশে ব্যবসায়ী বাদলের রাখা গাছের সাথে ওসির গাড়ি বাধে। তখন ওসি মনিরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে বাদলকে বেধড়ক পেটান। এমপির কাছে বাদল মারধরের বিচার চাইতে গেলে থানার গাড়িচালক মোকলেসুর রহমান এমপির বাড়ির গেটের সামনে আবার তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করে।

ওই ঘটনায় বরিশাল পুলিশ সুপার আক্তারুজ্জামান তাৎক্ষণিক ড্রাইভার মোকলেসকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করলেও ওসি এখনও বহাল রয়েছেন।

এমএম