ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন এবং ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনকে কেন জামিন দেয়া হবে না' তা জানতে চেয়ে ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
সংশ্লিষ্টদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে ডেসটিনির পক্ষে শুনানি করেন,আইনজীবী মো. বদিউজ্জামান।
এর আগে গত ৭ আগষ্ট ডেসটিনি গ্রুপের জামিন আবেদনের ওপর তৃতীয় দিনের মতো শুনানি শেষে আদেশের এই দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।
জামিন আবেদনের ওপর শুনানির সময় মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনের পক্ষের আইনজীবী মো. বদিউজ্জামান আদালতে বলেন, দেশে বড় বড় দুর্নীতির মামলার ক্ষেত্রে জনগণের অর্থ আত্মসাৎ ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।
কিন্তু ডেসটিনির ক্ষেত্রে এভাবে অর্থ আত্মসাৎ ও লুটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যাদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে দুদক মামলা করেছে, তারাই রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনের মুক্তি চেয়ে রাস্তায় আন্দোলন করছেন।
বদিউজ্জামান বলেন, বিনা বিচারে তারা প্রায় আড়াই বছর ধরে জেল খাটছেন। জামিন না দেয়ার পর অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তারা সর্বোচ্চ ১২ বছর জেল খাটবেন। কিন্তু তাতে কি জনগণ তাদের টাকা ফেরত পাবে?
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইন দু'জনই ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান।
তখন আদালত জামিন না দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে তারা কারাবন্দি। অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েক মাস ধরে তাদের বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে রেখে চিকিৎসা করাচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ।
এর আগে দুদকের উপপরিচালক মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও জনগণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করে।
ঢাকা, কেএ, ১০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





