ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং দুর্নীতির ২ মামলায় চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত বৈঠকে এ চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হয়। চার্জশিট ভুক্ত ৮ আসামি হলেন, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাবেক ম্যানাজার শাহ মোঃ হারুন, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানাজার আবুল কাশেম মাহমুদ উল্লাহ, সহকারি ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক তারিকুল আলম, কামরুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান এবং গিয়াস উদ্দিন বাবুল।
জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি এবং দুর্নীতিতে সহযোগিতার অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে। পরে দুদকের সহকারি পরিচালক সৈয়দ তাহসিনুল হক মামলা ২টি তদন্ত করেন।
এছাড়া দুদক আরো বেশ কয়টি মামলার চার্জশিট অনুমোদন দেয়। এরমধ্যে অর্থ আত্মসাত এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়েরকৃত আরেক মামলায় সিটি ব্যাংক, সিলেট বন্দর বাজার শাখার ক্যাশ অফিসার সোহরাব নিজামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক। মামলাটি তদন্ত করেন দুদকের সহকারি পরিচালক সালাহউদ্দিন।
জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাত মামলায় যশোর শিমু গার্মেন্টস’র মালিক স.ম. কামরুজ্জামান, পরিচালক মোছাম্মৎ মনোয়ারা বেগম, সোনালি ব্যাংক যশোর শাখার সেকেন্ড অফিসার জহিরুল আলমের বিরুদ্ধেও চার্জশিট অনুমোদন হয়েছে।
২০০১ সালের ২১ অক্টোবর যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করে। দুদকের সহকারি পরিচালক আমিনুর রহমান এটি তদন্ত করেন।
মোটর ভেহিক্যাল ট্যাক্সের (এমভি ট্যাক্স) টাকা কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে পোস্টাল অপারেটর মোঃ ইউনূস, নিউমার্কেট উপ-ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার আমিনুল ইসলাম এবং পোস্টাল অপারেটর আব্দুল লতিফ খানের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন হয়েছে।
২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট থানায় মামলা করে দুদক। পরে দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার মামলাটি তদন্ত করেন।
এদিকে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের দায়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সাবেক সহকারি কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মফিজুল হক নূরীর সম্পদ বিবরণী চেয়েছে দুদক। নোটিশ প্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে এ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।
ঢাকা, একে, ৮ জুলাই (টাইমনিবুজবিডি.কম) // কেএইচ





