গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাসুদ রানা (২৪) ও তার স্ত্রী মোছা. রুবনা আক্তারকে (২২) আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা ইয়াবার মূল্যে প্রায় ২০ লাখ টাকা।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের চারমাথা এলাকার সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়।
কিন্তু আটকের বিষয়টি থানা পুলিশ গোপন রাখার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের হস্তক্ষেপে রাত পৌনে ১১টার দিকে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
আটক মাসুদ রানার বাড়ি জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. বাদশা মিয়ার ছেলে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসএসআই) শ্রী পরিতোষ কুমার সরকার জানান, আটক মাসুদ রানা ও তার স্ত্রী রুবনা আক্তারসহ ৫-৬ জন মাদক ব্যবসায়ী মঙ্গলবার রাতে ইয়াবাসহ শহরের চারমাথার সিএনজি ষ্ট্যান্ড এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন।
এমন গোপন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে যায়।
পরে মাসুদ রানার প্যান্টের পকেট থেকে সাদা টিস্যু জাতীয় কাগজ ও পলিথিন দ্বারা মোড়ানো ২ হাজার পিচ ইয়াবা ও রুবনার কাছে থাকা ভেনিটি ব্যাগ থেকে আরও ২ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ জানান, ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক হলেও পুলিশ স্থানীয় সাংবাদিক বা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেনি। তিনি গোপন ভাবে বিষয়টি জেনে থানায় গিয়ে আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করান।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক ইয়াবাসহ আটকের বিষয়টি গোপন করার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় আটক মাসুদ রানা ও তার স্ত্রী রুবনার বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার মূল্যে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বুধবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এমবি





