৮ বছরের সাজার রায়ে সংক্ষুব্ধ ওসি মোয়াজ্জেমের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করবেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
ফারুক আহম্মেদ বলেন, মামলার প্রয়োজনে ওসি মোয়াজ্জেম নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও করেন। পিবিআইয়ের যে কর্মকর্তা মামলার তদন্ত করেছেন, তিনিও অনেকের বক্তব্য রেকর্ড করেছেন। তাই যে রায় হয়েছে, তাতে আমরা সংক্ষুব্ধ। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।
রেকর্ড করা বক্তব্য রিলিজ করে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ভিডিও মোয়াজ্জেম সাহেব রিলিজ করেননি। তার মোবাইল থেকে ওই ভিডিও খোয়া গিয়েছিল। সেখান থেকে কেউ এটি রিলিজ করে। আমরা এ বিষয়ে থানায় একটি জিডিও করেছিলাম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামস জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেমকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের ২৬ ও ২৮ ধারায় আট বছর কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।
গত ২০ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন।
নুসরাত জাহান রাফিকে ‘অসম্মানজনক’ কথা বলা ও তার জবানবন্দি ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল সাইবার ট্রাইব্যুনালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
ওই দিনই আদালত এ মামলার তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এএস





