এক ভিকটিমকে উদ্ধারসহ সাত অপহরণকারিকে গ্রেফতারের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, বিক্রয় ডটকমে মোবাইল কেনার নাম করে তারা মোহাইমিনুলকে অপহরণ করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. শাহা্দৎ হোসেন, মো. শরিফ হোসেন, নিধন চন্দ্র দাস, মো. সেলিম, হোটেল বয় মো. আব্দুল কাদের এবং বিকাশ এজেন্ট মালিক মো. নাছির উদ্দিন ও তার কর্মচারি মো. বাপ্পি।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগের তোপখানা রোডের বৈশাখী হোটেলে অভিযান চালিয়ে এক ভিকটিমকে উদ্ধারসহ সাত অপহরনকারিকে গ্রেফতারের ব্যাপারে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, তারা দির্ঘ দিন ধরে বিক্রয় ডটকমে ক্রেতা সেজে এ কাজ করে আসছে এবং অপহরণ করে বিভিন্ন অপহৃতদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপন আদায় করতো।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে মনিরুল ইসলাম বলেন, গত ২২ তারিখ বিকেলে ভিকটিম মোহাইমিনুলের ফেসবুক স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে এবং বিক্রয় ডটকমে মোবাইল ক্রয়ের নাম করে আদাবর এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করে। সেখান থেকে তাকে শাহবাগের তোপখানা রোডের বৈশাখী হোটেলের ৫ম তলার ৫০১ নং রুমে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে। পরে তারা ভিকটিমের মাধ্যমে তার বাবা ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা বিকাশ এজেন্ট মালিক নাসিরের মাধ্যমে সকল টাকা আনা নেওয়া করতো। প্রাথমিকভাবে মোহাইমিনুলের বাবার কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নেয়। পরে আরো দশ লক্ষ টাকা দাবি করে।
তিনি বলেন, আমরা প্রথমে সন্দেহ মূলকভাবে বৈশাখী হোটেলের হোটেল বয় আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করে তার মাধ্যমে অন্যদের গ্রেফতার করা হয়।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার বলেন, তারা এ পর্যন্ত ওই বিকাশ এজেন্ট মালিক নাসিরের মাধ্যমে ৫ থেকে ৬ বার এ ধরনের কাজ এবং টাকা হাতিয়েছে। এই গ্রুপের আরও দুই জন পালাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ ধরনের কাজ থেকে রেহাই পেতে রাজধানীর বিভিন্ন হোটেলের প্রতি আমাদের নজর রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এমআর/এমকে





