তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদককে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইবুনাল।
এক পুলিশ কর্মকর্তার করা মামলাটি রোববার বিচারের জন্য আমলে নিয়ে বিচারক কে এম শামসুল আলম এই আদেশ দেন বলে জানান ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আহমেদ।
সংবাদপত্রটির সম্পাদক-প্রকাশক এ এম এম বাহাউদ্দিনের পাশাপাশি প্রতিবেদক সাখাওয়াৎ হোসেনকে গ্রেপ্তারের আদেশও দিয়েছেন বিচারক।
তাদের গেপ্তার করা গেল কি না সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ২১ এপ্রিল দিন রাখা হয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য এক পুলিশ কর্মকর্তার’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা এবং পুলিশের ভারপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিদর্শক প্রলয় কুমার জোয়ারদার তথ্য প্রযুক্তি আইনে থানায় মামলাটি করেন।
২০১৪ সালে করা মামলাটি গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত থেকে ঢাকায় স্থাপিত দেশের একমাত্র সাইবার ট্রাইবুনালে স্থানান্তর হয়। তার আগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আজিজুর রহমান।
মামলায় বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবি ও নগর সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বাদশাকেও আসামি করা হয়েছিল।
তবে আসামির তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ইনকিলাবের আইনজীবী সৈয়দ আহমেদ গাজী জানিয়েছেন।
২০১৪ সালের ১৮ আগষ্ট ইনকিলাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল- প্রলয় জোয়ারদার পুলিশ বিভাগে ‘হিন্দু লীগ সৃষ্টি করেছে’।
মামলাটি করার পর রাজধানীর আর কে মিশন রোডের ইনকিলাব কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক রবিকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তিনি হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদককে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইবুনাল।
এক পুলিশ কর্মকর্তার করা মামলাটি রোববার বিচারের জন্য আমলে নিয়ে বিচারক কে এম শামসুল আলম এই আদেশ দেন বলে জানান ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আহমেদ।
সংবাদপত্রটির সম্পাদক-প্রকাশক এ এম এম বাহাউদ্দিনের পাশাপাশি প্রতিবেদক সাখাওয়াৎ হোসেনকে গ্রেপ্তারের আদেশও দিয়েছেন বিচারক।
তাদের গেপ্তার করা গেল কি না সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ২১ এপ্রিল দিন রাখা হয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য এক পুলিশ কর্মকর্তার’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা এবং পুলিশের ভারপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিদর্শক প্রলয় কুমার জোয়ারদার তথ্য প্রযুক্তি আইনে থানায় মামলাটি করেন।
২০১৪ সালে করা মামলাটি গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত থেকে ঢাকায় স্থাপিত দেশের একমাত্র সাইবার ট্রাইবুনালে স্থানান্তর হয়। তার আগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আজিজুর রহমান।
মামলায় বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবি ও নগর সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বাদশাকেও আসামি করা হয়েছিল।
তবে আসামির তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ইনকিলাবের আইনজীবী সৈয়দ আহমেদ গাজী জানিয়েছেন।
২০১৪ সালের ১৮ আগষ্ট ইনকিলাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল- প্রলয় জোয়ারদার পুলিশ বিভাগে ‘হিন্দু লীগ সৃষ্টি করেছে’।
মামলাটি করার পর রাজধানীর আর কে মিশন রোডের ইনকিলাব কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক রবিকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তিনি হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদককে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইবুনাল।
এক পুলিশ কর্মকর্তার করা মামলাটি রোববার বিচারের জন্য আমলে নিয়ে বিচারক কে এম শামসুল আলম এই আদেশ দেন বলে জানান ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আহমেদ।
সংবাদপত্রটির সম্পাদক-প্রকাশক এ এম এম বাহাউদ্দিনের পাশাপাশি প্রতিবেদক সাখাওয়াৎ হোসেনকে গ্রেপ্তারের আদেশও দিয়েছেন বিচারক।
তাদের গেপ্তার করা গেল কি না সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ২১ এপ্রিল দিন রাখা হয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য এক পুলিশ কর্মকর্তার’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা এবং পুলিশের ভারপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিদর্শক প্রলয় কুমার জোয়ারদার তথ্য প্রযুক্তি আইনে থানায় মামলাটি করেন।
২০১৪ সালে করা মামলাটি গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত থেকে ঢাকায় স্থাপিত দেশের একমাত্র সাইবার ট্রাইবুনালে স্থানান্তর হয়। তার আগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আজিজুর রহমান।
মামলায় বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবি ও নগর সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বাদশাকেও আসামি করা হয়েছিল।
তবে আসামির তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ইনকিলাবের আইনজীবী সৈয়দ আহমেদ গাজী জানিয়েছেন।
২০১৪ সালের ১৮ আগষ্ট ইনকিলাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল- প্রলয় জোয়ারদার পুলিশ বিভাগে ‘হিন্দু লীগ সৃষ্টি করেছে’।
মামলাটি করার পর রাজধানীর আর কে মিশন রোডের ইনকিলাব কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক রবিকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তিনি হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।
এম আর





