ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত।
আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো: নুরুজ্জামান ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে (নো-অর্ডান) কোনো আদেশ দেননি। এর ফলে তাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ।
গত ১৮ ডিসেম্বর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে বিচারপতি মো: রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ ছয় মাসের জামিন দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ। সাথে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী শাহ মো: খসরুজ্জামান ও আইনজীবী মাসুদ রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আইনজীবীরা জানান, ঢাকার গুলশান থানায় ২৬ অক্টোবর করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ছয় মাসের জামিন হিওয়ায় এ নিয়ে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেলেন এবং আগাম জামিন পেয়েছিলেন আরো তিনটি মামলায়। এখন অন্য কোনো মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বাধা সৃষ্টি না করলে তার মুক্তি পেতে বাধা নেই।
গত ১৬ অক্টোবর রাতে বেসরকারি একটি টেলিভিশনের টক শোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি লাইভে যুক্ত হওয়া ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে প্রশ্ন করেন- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আলোচনা চলছে, আপনি সদ্য গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে এসে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কি-না?
মইনুল হোসেন এ প্রশ্নের জবাব দেয়ার একপর্যায়ে মাসুদা ভাট্টিকে চরিত্রহীন বলে মন্তব্য করেন। এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এরপর রংপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মানহানি ও ডিজিটাল আইনে মামলা হয়।
বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জামিন নিলেও রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় ২২ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
এএস





