হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক তিনটি ঘটনায় সাড়ে পাঁচ কেজি স্বর্ণসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মূল্যে আড়াই কোটি টাকারও বেশি।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন জ্যাকি ঘোষ (৪০), মোহাম্মদ ওজায়ের (৩৩) ও শফিকুল ইসলাম (৩৯)। এর মধ্যে জ্যাকির কাছ থেকে দুই কেজি, ওজায়েরের কাছ থেকে ২৪টি ও শফিকুলের কাছ থেকে সাতটি সোনার বার পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত পৌনে ৮টায় সিঙ্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা টাইগার এয়ারওয়েজের (টিকে-২৬৫৬) যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাছে তার গতিবিধি সন্দেহ হয়। পরে তার কাছ থেকে এক কেজি ওজনের দুই কেজি স্বর্ণবার উদ্ধার হয়। যার মূল্য কোটি টাকা।
গত রাতে কাস্টমসের সহকারী কমিশনার জুয়েলা খানম জানান, টাঙ্গাইল এলাকার বাসিন্দা জ্যাকিঘোষের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে তল্লাশি করা হয়। পরে তার দুই পকেটে থাকা দুইটি এক কেজি ওজনের দুইটি স্বর্ণবার পাওয়া যায়।
এর আগে আরব আমিরাত থেকে ফাই দুবাইয়ের ফাইটে বেলা সোয়া ১১টায় ঢাকায় আসেন ওজায়ের। গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ওজায়ের তার দুই পায়ের জুতার ভেতরে ২৪টি সোনার বার লুকিয়ে রেখেছিলেন। এসব সোনার ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম, যার মূল্য এক কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ বছর এ পর্যন্ত চারবার দুবাই যান ওজায়ের। তার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে।
এ দিকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ৭০০ গ্রাম ওজনের সাতটি সোনার বারসহ মালয়েশিয়া থেকে আসা শফিকুল ইসলামকে গ্রিন চ্যানেল থেকে গ্রেফতার করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। শফিকুলের প্যান্টের ভেতর থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
ওই কর্মকর্তা জানান, শফিকুলের কাছ থেকে পাওয়া সোনার মূল্য ৩৫ লাখ টাকা। শফিকুলের বাড়ি কুমিল্লা জেলার হোমনায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল জানান, এ বছর আটবার মালয়েশিয়া যান তিনি। এসব ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় দুইটি মামলা হয়েছে।
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





