গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির সেলে বন্দি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুলের স্বজনদের দেখা করতে বার্তা পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
আজ মঙ্গলবার সকালে কারা কর্তৃপক্ষ মুফতি হান্নান ও বিপুলের স্বজনদের কাছে ওই বার্তা পাঠায়। এই দু’জনই কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার বিষয়টি গতকাল সোমবার মুফতি হান্নান ও বিপুলকে জানানো হয়। দু’জনের সঙ্গে কারাগারে এসে দেখা করার জন্য স্বজনদের আজ সকালে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্বজনদের কেউ কারাগারে আসেননি।
মিজানুর রহমান বলেন, মুফতি হান্নান ও বিপুলের ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জল্লাদ প্রস্তুত আছেন। প্রস্তুত আছে ফাঁসির মঞ্চ।
মুফতি হান্নান ও বিপুলের ফাঁসি কবে বা কখন কার্যকর করা হবে, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাননি এই কারা কর্মকর্তা।
সিলেটে ২০০৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও ৩জন নিহত হওয়ার মামলায় মুফতি হান্নান এবং তাঁর সহযোগী বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগেও তা বহাল থাকে।
রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) তাঁদের করা আবেদন খারিজ হয়। গত ২৭ মার্চ ৩জনই প্রাণভিক্ষা চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। গত রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, তাঁদের প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি নাকচ করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অপরজন দেলোয়ার রয়েছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে। ৩ জনের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার চিঠি সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা কারাবিধি অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর করতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
এমবি





