আনন্দ শিপইয়াডের বিরুদ্ধে প্রায় এক হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি, বিদেশে অর্থ পাচার ও আত্মসাতের ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার নয় জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের উপ পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর দফতরে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এরা হলেন, ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার মো.আবুল বাশার, সাবেক এসভিপি মো. নুরুল ইসলাম, এভিপি কাজী মঈনুদ্দিন খাদেম, ভিপি মো. মিজানুর রহমান ভুইঁয়া, এভিপি মো. মোসলেহ উদ্দিন, ভিপি মো.আলিমুর রহমান, এভিপি মো. আবুল কালাম আজাদ, এভিপি মনির হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার একেএম বোরহান উদ্দিন।
এদিকে ইসলামি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ১৩ জন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে হাজির হতে বলা হয়েছে। ওই ১৩ জনের মধ্যে রয়েছেন, প্রধান কার্যালয়ের সাবেক প্রধান নির্বাহী অফিসার মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ডিইপি মো. আবদুল মান্নান, সাবেক ডিও এটিএম হারুন অর রশিদ চৌধুরী, ডিএমডি মো. সামসুল হক, সাবেক ইভিপি মো. আতাউর রহমার, এমডি মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক ইভিপি সৈয়দ আবদুল্লাহ মোম্মদ সালেহ, ইভিপি ইনিঞ্জনিয়ার মোহাম্মদ আলী, এসভিপি ইঞ্জিনিয়ার ময়েজ উদ্দিন, ভিপি মো. হাসান আবিদ, সাবেক এভিপি মো. দেলোয়ার হোসেন, এভিপি মাহমুদ হোসেন খান ও সাবেক সিনিয়র অফিসার ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম।
এছাড়া আগামী ১৬ নভেম্বর সেন্ট্রাল রোড শাখা এবং বৈদেশিক শাখার চার জনকে সকাল সাড়ে নয়টায় দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এরমধ্যে এসভিপি মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ভিপি ম্যানেজার মো. আবু সুফিয়ান, বৈদেশিক শাখার এভিপি মো. মনির হোসেন এবং এসপিও আহমেদ আলীকে যথা সময়ে আসতে হলা হয়েছে।
জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ দুদকের সিনিয়র উপ পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী কমিশনের কাছে অনুসন্ধানের অগ্রতির একটি প্রতিবেদন জমা দেন। একই সঙ্গে চার সদস্যের একটি শক্তিশালী টিম গঠনের আবেদন জানান। পরে কমিশন গত ২২ অক্টোবর চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন।
জানা যায়, সাতটি ব্যাংক এবং সাতটি লিজিং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ১৬ শ' কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
একে/কেএইচ





