আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ি এবং ডিফেন্স এ্যাডভান্সমেন্ট এন্ড ট্রেডিং (ড্যাটকো) ম্যানেজার মো. ফারুক উজ জামান চৌধুরীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোবাবর দুদকের উপ পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী এ তলবি নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে (ড্যাটকো) ম্যানেজার মো. ফারুক উজ জামান চৌধুরীকে আগামী ২৪ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় দুদকে হাজির হতে বলো হয়েছে।
তার দেশের বাড়ি পাবনা জেলার , পাবনার সদরপৌর সভার দিলাল রোডের চৌধুরী বাড়ি এবং রাজধানীর বনানীর বাড়ি নং-৫৭,রোড নং- ১, ব্লক নং-১ ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছ্।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
জানা যায়,ড্যাটকো চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসের বিদেশে সুইস ব্যাংকে আটকা পড়ে থাকা ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশী ৫১ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনা এবং বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞসাবাদের জন্য (ড্যাটকো) ম্যানেজারকে তলব করা হয়েছে।
এদিকে গত ১১ ডিসেম্বর (ড্যাটকো)চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসেরের ছেলে শশুর সাংবাদিক ও ব্যবসায়ি এএম শহিদুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এছাড়া আগামী ১৮ ডিসেম্বর বেলা১১ টায় ড. মুসা বিন শমসেরকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
১৯৯৭ সালে ড. মুসা বিন শমসের তার ইউরোপিয়ান সদর দপ্তর হিসেবে একবার আয়ারল্যান্ডের কালকিনি দুর্গ কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সফল হননি। মুসা বর্তমান বাস করছেন গুলশানে অবস্থিত তার প্রাসাদোপম বাড়িতে। এ বাড়িতে প্রায় প্রতিদিনই পার্টি থাকে। সেখানে সবসময় তার দেশি বেদেশি হাইপ্রোফাইল মেহমান উপস্থিত থাকেন।
জানা যায়, ড. মুসা ১৯৯৪ সালে সর্বপ্রথম তার বন্ধু ব্রিটেনের বিরোধী দলীয় নেতা (পরে প্রধানমন্ত্রী) টনিব্লেয়ারের নির্বাচনী ফান্ডে ৫০ লাখ পাউন্ড অনুদান দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বিশ্ব দরবারে আলোচনায় উঠে আসেন। একজন বিদেশী নাগরিক হওয়ায় টনিব্লেয়ার অবশ্য সে অনুদান গ্রহণ করেননি। তার পরে নানা কর্মকান্ডের মাধ্যমে এ ব্যবসায়ী মাঝে মধ্যেই বিশ্ব মিডিয়ার আলোচনায় স্থান পান।
একে,





