নারায়ণগঞ্জের সেভেন মাডার মামলা প্রধান আসামি ভারতের কারাগারে আটক নুর হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব।
বুধবার মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব মো: ফয়জুর রহমান চৌধুরী এ কথা বলেন। এ সময় দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন,নুর হোসেনের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলমকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সাংবাদিকদের অপর প্রশ্নে জবাবে দুদক সচিব বলেন, ৩৭ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং প্রতারণার অভিযোগে ইতোমধ্যে দুদকের দুই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদেরকে শোকোজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর অনুসন্ধান করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের শাস্তি হবে।
দুদক সচিব লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৪ সালে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত গত ৫ মাসে ১২৪টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। একই সঙ্গে ১৯৩টি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল ও ২২৪টি চার্জশীটও অনুমোদন করেছে দুদক।
দুদক সচিব বলেন, গত ৫ মাসে দুদকে ৪০৪৮টি অভিযোগ জমা পড়ে কমিশন। কমিশনের তফসিলভুক্ত না হওয়ায় ৩৪৩০টি আভিযোগ বাদ পড়ে এবং যাচাই বাছাই শেষে ৫১২টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয়।
তিনি বলেন, ৫১২টি মধ্যে যাচাই বাছাই শেষে অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত প্রতিবেদনের সংখ্যা ৫৭টি বলে তিনি জানান। এর মধ্যে গত ৫ মাসে মামলা নিষ্পত্তি সংখ্যা ৬১টি সাজা হয়েছে ২৫টি এবং খালাস সংখ্যা ৩৬টি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।
এছাড়া মে মাসে ৩৬টি মামলার চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন এবং এ সকল মামলায় ৮২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ঢাকা,একে, ২৫জুন (টাইমনিউজবিড.কম) // এআর





