মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের পক্ষে চতুর্থ দিনের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষে বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বুধবার পর্যন্ত আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন মুলতবি করেছেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার কায়সারের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তার সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান। তিনি কায়সারের বিরুদ্ধে আনা ৭ ও ৮ নম্বর অভিযোগের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এ সময় আরেক সিনিয়র আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ ও প্রসিকিউটর তাপস কান্তি বল ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫ কার্যদিবসে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, জেয়াদ আল মালুম ও তাপস কান্তি বল।

গত ৯ মার্চ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) মনোয়ারা বেগমসহ রাষ্ট্রপক্ষের মোট ৩২ জন সাক্ষী। তাদের মধ্যে ঘটনার ২৮ সাক্ষী হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা কাজী কবির উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী টিপু, কায়সার বাহিনীর সদস্য হাজী মো. তাজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী পাঠান, কায়সারের অপরাধের শিকার একজন বৃদ্ধা নারী (ক্যামেরা ট্রায়াল), মো. ইয়াকুব আলী, শাহ হাসান আলী ফুলু মিয়া, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা শাহ হোসেন আলী সাবু, শহীদপুত্র মো. মোস্তফা আলী, কায়সারের অপরাধের শিকার একজন সাক্ষী (ক্যামেরা ট্রায়াল), শহীদপুত্র মো. নওশাদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা গৌর প্রসাদ রায়, মোঃ গোলাম নুর, মুক্তিযোদ্ধা মো. নায়েব আলী, আলহাজ নিশামন, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন জামাল, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ফুলু মিয়া, বাসু সাওতাল, নায়েব আলী, মুক্তিযোদ্ধাদের সোর্স আব্দুল মোতালেব, মো. ওমর আলী,মোঃ লোকমান হোসেন, শহীদ কন্যা আম্বিয়া খাতুন, সাক্ষী শহীদ জায়া আনোয়ারা বেগম, মো. আমাই উল্লাহ, শহীদ কন্যা মাজেদা খাতুন ওরফে জমিলা খাতুন, শহীদপুত্র রেনু মিয়া এবং মো. আজহারুল হক।

আর জব্দ তালিকার ৩ সাক্ষী হচ্ছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়কের ব্যক্তিগত সহকারী মো. নুরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের ডকুমেন্টেশন অফিসার আমেনা খাতুন ও তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিয়ান মোঃ আনিসুর রহমান। তাদেরকে জেরা করেছেন আসামিপক্ষ।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ কোনো সাফাই সাক্ষী হাজির করতে পারেননি।

গত ৪ মার্চ কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম।

ঢাকা, ১২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ