ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বয়স জালিয়াতি করে স্বপদে বহাল থাকার অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির স্বাভাবিক বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও রহস্যজনকভাবে স্বপদে বহাল থেকে কাজ করার অভিযোগ সম্প্রতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই যাবতীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে নথিপত্র পর্যালোচনা চলছে। নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এ বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, এডিজি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির স্বাভাবিক বয়সসীমা পেরিয়ে গেলেও বয়স জালিয়াতি করে এখনো স্বপদে বহাল থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার সনদ (রোল-কিশোরগঞ্জ, নং-৮০৪, সন-১৯৭২) অনুসারে ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি তার জন্মদিন। এই জন্মতারিখ অনুসারে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে সরকারি চাকরির বয়সসীমা শেষে তার অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তিনি এখনো চাকরিতে বহাল রয়েছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক হারুনূর রশীদ এ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। এডিজি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও অনুসন্ধান করেছে কমিশন। যদিও অবৈধ সম্পদ অর্জনের ওই অভিযোগ নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে দুদক।

এএইচ