তফসিল ঘোষনার পর এখন নির্বাচনি উৎসব সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে। এরই মাঝে ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঘটে যায় ব্যাপক সংঘর্ষ। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ভাংচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুনের মতো ঘটনা রাজপথ দেখলো অনেকদিন পর। এরপর শুরু হয় বড় দুই দলের (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ৭০ জনেরও বেশি।
মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) ডিএমপি'র কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানায়, নয়াপল্টনে পুলিশের গাড়ির ওপরে উঠে লাফালাফি করা যুবকসহ ঐদিন সংঘর্ষের ঘটনায় ভুমিকা রাখা আরো ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কার কি ভুমিকা ছিলো এমন একটি প্রেজেন্টেশনে দেখানোর পর মনিরুল ইসলামের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও ছাত্রদলের পদধারী। উস্কানি দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরিই ছিলো তাদের উদ্দেশ্য।
যদিও কাছাকাছি সময়ে মোহাম্মদপুরে ক্ষমতাসীন দলের দুগ্রুপের সংঘর্ষের সময় দুই তরুণ নিহতের ঘটনায় পুলিশের তদন্ত তৎপরতা নিয়ে জানতে চাইলে আশানুরুপ ফল না পাবার কথা জানান মনিরুল ইসলাম।
এসএম





