পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো: রাশেদ খানের (৩৬) নিহতের ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৯ জনকে আসামি করে কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়েছে।
আজ (০৫ আগস্ট) বুধবার নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এই মামলা করেন। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি।
মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে প্রধান আসামি ও টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসকে দ্বিতীয় আসামি করে আরও ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অ্যাডভোকেট মো: মোস্তফার নেতৃত্বে এই মামলা দায়ের করা হয়।
আইনজীবী মো: মোস্তফা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে টেকনাফ থানাকে এটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে কি-না তা ৭দিনের মধ্যে আদালতকে অবগত করারও আদেশ দেয়া হয়েছে। ওই মামলাটি র্যাব ১৫-এর কমান্ডার আজিম আহমেদকে তদন্ত করার নিদের্শ দেন আদালত।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে এসে একটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সামনে পৌঁছান তিনি।
এর আগে নিজস্ব প্রাইভেটকারে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের দিকে যাওয়ার সময় ৩১ জুলাই রাত ৯টার দিকে মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো: রাশেদ খান (৩৬)। তার ওপর গুলি চালান বাহারছড়া ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ ইন্সপেক্টর লিয়াকত। নিহত সিনহা রাশেদকে ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এমবি





