গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ভেতরে ঢুকে পড়েন। এর ১০ মিনিটের মধ্যেই ৫ জনকে বাইরে নিয়ে আসা হয়। তবে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি।
কমান্ডো অভিযানের সময় ভেতরে থাকা জঙ্গিরা আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গ্রেনেড ছোড়ে। এরপর সেখানে মুহুর্মুহু গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। তবে আপাতত গোলাগুলির শব্দ বন্ধ রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার মধ্য রাত থেকেই আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। ভোর পাঁচটার দিকেই তাদের প্রস্তুতি শেষ হয়। পরে আশপাশে অবস্থান নেয়া সংবাদকর্মীদের পুলিশ নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়।
এদিকে শনিবার সকাল ৬টার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি সেখানে উপস্থিত আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
সকাল ৭টায় সাতটি সাঁজোয়া যানসহ সেনাবাহিনীর একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এরপরই কমান্ডো অভিযান শুরু হয়।
এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশানের ৭৯ নম্বরের আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ৮ থেকে ১০ জন যুবক অতর্কিত হামলা চালায়। এরপর তারা ওই রেস্তোরাঁয় থাকা লোকজনকে জিম্মি করে।
জিম্মিদের মধ্যে অন্তত ২০ জন বিদেশী নাগরিকসহ ৩০-৩৫ জন আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আর্টিজান বেকারি নামের ওই রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার কিছুক্ষণ পর পুলিশের অগ্রগামী দলের দুই কর্মকর্তা জঙ্গিদের গুলি ও বোমায় নিহত হন। আহত হন অন্তত ৪০ জন পুলিশ সদস্য।
নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাহউদ্দিন।
কেবি





