রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায় বাসায় ঢুকে যুবদল নেতা আবু জাফরকে (৪৫) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
রায়েরবাগ এলাকায় পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় সপরিবারে থাকতেন তিনি। নিহত জাফর ওই এলাকার ‘বি’ ব্লকের মো. হানিফ মিয়ার ছেলে।
নিহতের বড় ভাই সিদ্দিকুর রহমান জানান, আবু জাফর যুবদল নেতা ছিলেন। এর আগে নাশকতার মামলায় কদমতলী থানা-পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন।
আবু জাফরের ছেলে সাইফুল ইসলাম জানান, ভোরে নামাজ পড়ার জন্য রুমের দরজা খুলে বের হলে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা করে। সিঁড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের স্ত্রী নূর জাহান জানান, বি ব্লকে সাততলা বাড়ির তৃতীয় তলায় নিজ বাসায় থাকতেন জাফর। বাসার সামনে ‘নুসরাত জেনারেল স্টোর’ নামে তার একটি মুদি দোকান রয়েছে। ভোরে ভাড়াটিয়ারা জাফরকে তৃতীয় তলার সিঁড়িতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খবর দেন।
পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে আসলে সকাল পৌনে আটটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে (জাফর) মৃত বলে ঘোষণা করে।
তিনি জানান, জাফরের গলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। কেন বা কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তার কারণ জানা নেই।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক ক্যাম্প পুলিশ ইনচার্জ মোজাম্মেল হক।
নিহতের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। তার দুই ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে।
এসএইচ





