স্থগিত থাকা টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপ-নির্বাচনে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ নয় বলে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে কাদের সিদ্দিকীর করা রিট খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি মো.আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ সকালে এ রায় দেন।
আদালতে কাদের সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ড. মো. ইয়াছিন।
এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেটি স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রুল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়।
গত বছরের ২১ অক্টোবর কাদের সিদ্দিকীর মনোয়নপত্র গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর মনোয়নপত্র বাতিলের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেন।
গত বছরের ২০ অক্টোবর টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাদের সিদ্দিকীর ভাই লতিফ সিদ্দিকী।
গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়।
এরপর নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। সে মোতাবেক আগামী ১০ নভেম্বর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে কাদের সিদ্দিকী ও তার স্ত্রী নাসরিন সিদ্দিকী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
কিন্তু ঋণখেলাপের অভিযোগে গত ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার এই দুই নেতা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল আবেদন করেন।
১৮ অক্টোবর বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন কাদের সিদ্দিকীর আপিল খারিজ করে রায় দেন। এ খারিজ দেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন কাদের সিদ্দিকী।
এমকে





