কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে এই ইয়াবা উদ্ধান করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) একটি বিশেষ টহলদল।
আজ (০৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ টেকনাফ বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল নাফ নদীতে তাদের নিয়মিত টহল পরিচালনা করছিল। পরবর্তীতে টহলদল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে লাফারঘোনা বরাবর নাফ দিয়ে মিয়ানমার হতে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এই সংবাদের ভিত্তিতে টহলদল দ্রুত বর্ণিত এলাকায় গমন করে ২টা ৪৫ মিনিটে কয়েকজন ইয়াবা পাচারকারীকে নৌকাযোগে বিআরএম-৫ হতে আনুমানিক ৫০০ গজ পূর্ব দিক দিয়ে নাফ নদীর কিনারায় ভিড়তে দেখে চ্যালেঞ্জ করে।
বিজিবি আরও জানায়, চোরাকারবারীরা দূর হতে টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ করে কেওড়া জঙ্গলের আড় ব্যবহার করে নৌকা হতে লাফিয়ে নেমে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তারা কেওড়া জঙ্গলের ভিতর দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল বর্ণিত স্থানে পৌঁছে ইয়াবা পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া নৌকাটি তল্লাশী করে ০২ (দুই) টি ব্যাগ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ব্যাগগুলোর ভিতর হতে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ইয়াবা পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া ০১ (এক) টি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
আরও জানানো হয়, ইয়াবা পাচারকারীদের আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও নদীর তীরসহ পার্শ্ববর্তী স্থানে পরবর্তী ০২ ঘন্টা যাবৎ অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন পাচারকারী/তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় ইয়াবা কারবারীদের সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি।
তবে তাদের সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানায় বিজিবি।
এমবি





