মনবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জমায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির নির্বাহী আদেশ কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছেছে। কারা সূত্রমতে, রাতেই কার্যকর হতে পারে মীর কাসেমের ফাঁসি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার নাশির আহমেদ জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরের পর সরকারের আদেশ আমাদের হাতে পৌঁছেছে।
এদিকে ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কারাকর্তৃপক্ষ। কারাগারের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, দন্ড কার্যকরের আগে শেষবারের মত আনুষ্ঠানিক সাক্ষাত করেছেন মীর কাসেম আলীর স্বজনরা।
উল্লেখ্য, এর আগে ছেলেকে ফিরে পাওয়ার শর্ত দিয়ে দুই দিন কাটানোর পর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না বলে গতকাল শুক্রবার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন ৬৩ বছরের মীর কাসেম আলী।
তাঁর ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনো বাধা নেই। এখন যেকোনো সময়ে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি হতে পারে বলে জানান কারা কর্মকর্তারা।
কারা কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গতকাল বলেছেন, আজ (শনিবার) রাতে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করার মতো প্রস্তুতি তাঁদের রয়েছে। কাশিমপুর কারাগারেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অন্য আসামিদের মৃত্যুদণ্ড যেভাবে কার্যকর করা হয়েছে, ওই প্রক্রিয়ায় মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে।
ফাঁসি কার্যকরের আগে মীর কাসেম আলীর স্বজনেরা শেষবারের মত তাঁর সঙ্গে একবার দেখা করার সুযোগ পেয়ে করাগারে যান।
মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ে রিভিউ আবেদনই ছিল শেষ ধাপ। গত বুধবার (৩১ আগস্ট) মীর কাসেমের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ওই দিনই মীর কাসেমের পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাৎ করেন।
এসএম





