ইসলামী জলসায় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টার অভিযোগ এনে মুফতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
আজ রোববার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৮ ও ৩১ ধারায় ঢাকার আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহিম খলিল এ মামলা আবেদন করেন।
মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাহেরীর বিরুদ্ধে পিটিশন মামলার আবেদন জমা দিয়েছি। মামলা গ্রহণের বিষয়ে এখনো শুনানি হয়নি।
মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, ইসলাম ধর্মের পথপ্রদর্শক হজরত মুহম্মদ (সা.) এর আদর্শ ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ওয়াজ মাহফিলের মধ্যে নাচ-গান সমর্থন করে না। ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী আসামির কর্মকাণ্ড মুনাফেকির শামিল। ওয়াজের মধ্যে গান গাওয়া ইসলাম সমর্থন করে না। এক ব্যক্তির উক্তি দিয়ে তার বিড়ি খাওয়ার দোয়াটিও ইসলামের কোথাও নেই। তার এসব বক্তব্যে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননা করা হয়েছে।
তাহেরীর বেশ কয়েকটি ওয়াজে দেখা গেছে, হাতে একটি চায়ের কাপ নিয়ে তাতে চুমুক দেন। এরপর বলেন, ‘কেউ কথা কইয়েন না, একটু চা খাব? খাই একটু? আপনারা খাবেন? ঢেলে দেই? (মুচকি হেসে আবারও) ঢেলে দেই? ... ‘ভাই পরিবেশটা সুন্দর না? কোনো হইচই আছে? আমি কি কাউকে গালি দিয়েছি? কারোর বিরুদ্ধে বলতেছি? এরপরও সকালে একদল লোক বলবে, তাহেরী বালা (ভালো) না।’ আমিতো ভালো না তোরা ভালো লাইয়া থাক।
এসব বাক্য ওয়াজে ব্যবহার করা হয়, যা সম্পূর্ণ অশ্লীল। ইসলাম ধর্মে এ রকম শব্দের উল্লেখ নেই। কিছু কিছু ইউটিউবারকে তিনি ধান্দাবাজ বলেও উল্লেখ করেন।
বাদী অভিযোগ করেন, ওয়াজ মাহফিলের নামে আসামির এ সব ভন্ডামী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে ইসলাম ধর্মের মধ্যে ঘৃণা, বিদ্বেষ, সৃষ্টি করে মানুষকে ধর্মীয় শিক্ষা নষ্ট করছেন।
আসামি তাহেরীর এসব কর্মকাণ্ড ইসলামে বিদ’আত বলে গণ্য। তিনি ইসলাম ধর্মের অপপ্রচারকারী। ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তার প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায় তিনি ওয়াজের মধ্যে নাচ, গান করেন।
এএস





