আগামী সাপ্তাহে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে ফের আবেদন করবে তার আইনজীবীরা।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পর সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এই কথা জানিয়েছেন।

সাংবাদিকদের খন্দকার মাহবুব বলেন, “আমরা আবার ম্যাডামের জামিনের দরখাস্ত করব। আশা করি, অন্তত দেশবাসীকে আমাদের হাইকোর্ট বিভাগ এমন একটি ইঙ্গিত দেবেন যে, না দেশে বিচার ব্যবস্থা আছে, বিচার ব্যবস্থা না থাকলে বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা জামিন দিতাম না।”

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, হাইকোর্ট দেশের জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে আমরা এবার জামিনের আবেদন যদি করি অবশ্যই আমরা জামিন লাভ করব।”

কবে নাগাদ জামিন আবেদন করবেন? এমন প্রশ্নে প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, “সিনিয়র ল‘ইয়ার্সের সঙ্গে আলাপ করে এজ আরলি এজ পসিবল-মে বি নেক্সট উইক, উইক আপটার আমরা আবেদন করব।”

বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটিসহ সিনিয়র আইনজীবীদের এই বৈঠক হয়।

লন্ডন থেকে স্কাইপিতে যুক্ত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মির্জা ফখরুল ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ০৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। রায়ের পর ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাভোগ করছেন। পরে ওই বছরের ৩০ অক্টোবর খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৯ সালের ০১ এপ্রিল থেকে কারা হেফাজতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া।

এমবি