টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির একছাত্রকে পেটানোর অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রের অভিভাবক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ তারিখ সকালে ক্লাস করার জন্য শুভ মন্ডল (১০) শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করেন। ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎকরে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. সেলিম হোসেন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে ডান হাত দিয়ে স্বজোড়ে বাম কানে চর মারে এবং তাঁর হাতে থাকা কাঠের রুলার দিয়া আঘাত করিলে চোখের বাম পাশে লেগে মাথা ফুলে যায় চোখ রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়।

শুভ এবং অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীর ডাক চিৎকার শুরু করলে পাশের রুমের শিক্ষকরা শুভকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসলে আগে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়। এতে সে সুস্থ্য না হলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করানো হয়।

শুভর মা বলেন, সরকারিভাবে শিক্ষকদের ছাত্র-ছাত্রীদের শারিরীকভাবে আঘাত না করার নির্দেশ থাকা স্বত্বেও ওই শিক্ষক কেন আমার ছেলেকে মারধর করেছে আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক নূর মহল আক্তার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এর আগেও এই শিক্ষক আবৃত্তি নামের এক ছাত্রীকে মারধর করেছিল। সে কারণ অকারণে শিক্ষার্থীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক সেলিম হোসেনের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি প্রথম শ্রেণিতে ক্লাস নিচ্ছিলাম। এসময় পাশের চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসে শিক্ষক না থাকাতে শুভসহ অন্যছাত্ররা হইহল্লোড় করতে থাকে আমি তাদের শাসন করার জন্য চর মেরেছি।

কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মহল আক্তার ওই ছাত্রের অভিভাবককে ভুলভাল বুজিয়ে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ভিত্তিহীন একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এআই