সংসদ সদস্যদের জন্য শুল্কসহ করমুক্ত গাড়ি আমদানির যাবতীয় সিদ্ধান্ত বাতিল এবং তাদের জন্য শুল্কসহ করমুক্ত গাড়ি আমদানি না করার নিদের্শনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। আজ (সোমবার) সকালে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ।
রিট আবেদনে সংসদ সদস্যদের জন্য শুল্কসহ যাবতীয় করমুক্ত গাড়ি আমদানির সিদ্ধান্ত কেন বাতিল করা হবে না মর্মে বিবাদীদের বিরুদ্ধে রুল জারি, শুল্কসহ যাবতীয় করমুক্ত গাড়ি আমদানি না করা এবং সংসদ সদস্যদের তা না দেওয়ার জন্য কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না মর্মে রুল জারির আরজি করা হয়।
রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের জন্য শুল্কসহ যাবতীয় করমুক্ত গাড়ি আমদানি না করতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখারও নির্দেশনা চাওয়া হয় আবেদনে।
রিটে বিবাদী করা হয়েছে অর্থসচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, বাণিজ্যসচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে।
রিট আবেদনে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সংসদ সদস্যরা যেখানে সরকারি নিয়মে ১৩০০ সিসির গাড়ি ব্যবহার করেন, সেখানে বাংলাদেশের এমপিরা গড়ে ব্যবহার করেন ৩০০০ থেকে ৫৫০০ সিসির বিলাসবহুল গাড়ি।
আবেদনে আরও বলা হয়, সংসদ সদস্যরা নিজেদের ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার জন্য নিজেরাই অসাংবিধানিক/বেআইনিভাবে শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি কেনার সুযোগ নিচ্ছেন। অথচ সংসদ সদস্যদের ওই গাড়ির করের (করাসুদের) বোঝাটা পড়ছে সাধারণ জনগণের ওপর। সরকার ওই শুল্কমুক্ত গাড়ির ওপর করের বোঝার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অন্যদের গাড়ি কেনার ওপর কয়েকশ’ গুণ করের বোঝা বাড়িয়ে দেয় যা অনৈতিক এবং বেআইনি।
আবেদনে বলা হয়, বিরোধী দলসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্য সংসদে উপস্থিত থাকেন না। অথচ তারা শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি, বাড়ি, বেতন-ভাতার সুযোগ-সুবিধা, পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য বিশেষ  অধিকার ও সুবিধা ঠিকই নিচ্ছেন।
[b]ঢাকা, কেএ, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এএইচ[/b]