ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে বাচ্চা চুরির ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বাচ্চা চুরির ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া গেটে দায়িত্বরত আনসার সদস্য নাজিমকে ক্লোজড করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘বাচ্ছা চুরির ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া গেটে দায়িত্বরত আনসার সদস্য নাজিমকে ক্লোজড করা হয়েছে। তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বাচ্চা কীভাবে বাইরে গেল।’
চুরি হওয়া বাচ্চার মা রুনা বেগম (২৭) জানান, তারা শ্যামলীর মনিরের বাসায় ভাড়া থাকেন। তার স্বামীর নাম কাউছার হোসেন বাবু।
রুনা বেগম আরও জানান, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে প্রসবজনিত কারণে শরীর অসুস্থ হলে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। এর দুই ঘণ্টা পরই জমজ ছেলে বাচ্চার জন্ম হয়। বুধবার সকালে এক নারী তার ওয়ার্ডে আসে। তখন তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান পাশের ওয়ার্ডে তার রোগী আছে।
তিনি জানান, এ পরিচয়ে তার সঙ্গে বিভিন্ন গল্প করতে থাকেন ওই নারী। এর পর বাচ্চাকে সে কোলে নেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ওই নারী আবার তার ওয়ার্ডে যান এবং বাচ্চাটিকে কোলে নেন। এর পর বাচ্চা নিয়ে হাঁটাহাঁটির একপর্যায়ে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল ক্যাম্পের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক।
ঢাকা, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





