গাজীপুর কাশিমপুর কারাগারের মূল ফটকে প্রধান কারারক্ষী রুস্তম আলীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুস্তম আলী কাশিমপুর মহিলা কারাগারের সুবেদার ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লায়। গত বছরের নভেম্বরে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান।

এ ঘটনায় আহমেদ মেডিসিন কর্নারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে কোনাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোবারক হোসেন নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহী দুই জন সন্ত্রাসী কারাফটকে রক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই প্রধান কারারক্ষী রুস্তম আলী নিহত হন। তার মৃতদেহ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

কাশিমপুর কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক প্রশান্ত কুমারবলেন, রুস্তম আলী কারাগার থেকে বের হয়ে ২৫০ গজ দূরে ওষুধ কিনতে যান। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা তিন দুর্বৃত্ত তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।ঘটনাস্থলেই রুস্তম আলী মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত রুস্তম আলী বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারাগারের ভেতর থেকে বেরিয়ে সামনের একটি ওষুধের দোকানে আসেন। সেখানে বসে সংবাদপত্র পড়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, নিহত রুস্তম আলী একজন অবসরপ্রাপ্ত কারারক্ষী। তিনি কারা ফটকের সামনের দোকানে চা পান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ রুস্তম আলীকে দ্রুত শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রুস্তম আলী কাশিমপুর কারাগারের সর্বপ্রধান কারারক্ষী বলে জানান কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।

তিনি জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী অতর্কিতে কাশিমপুর কারাগারের প্রধান ফটকে গুলি ছোড়ে। এতে রুস্তম আলী নিহত হন।

গুলি ছুড়ে পালানোর সময় মোটরসাইকেলের এক আরোহীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান কারা মহাপরিদর্শক।

এইচ ই/এমআইএস