ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন এক পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোশারফ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুকের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানা যায়।

বুধবার আসামি মোশারফ ঢাকার ৪র্থ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান।

এ সময় তার স্ত্রী খালেদা আক্তার লাবনী আদালতে উপস্থিত থেকে জামিনের বিরোধিতা করেন।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহ উদ্দিন আহমেদ জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালের পেশকার ফোরকান আলী ও মামলার বাদিনী লাবনী জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এএসআই মোশারফ হোসেনের স্ত্রী খালেদা আক্তার লাবনী ৭ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে মারধরের অভিযোগ এনে ঢাকার ৪র্থ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা দায়ের করেছিলেন।

ওইদিন ট্রাইব্যুনাল মামলাটির অভিযোগের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। বিচার বিভাগীয় তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন ঢাকার সিএমএম আদালত।

প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর মোশারফের সঙ্গে লাবনীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মোশারফ তার স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করতেন।

এজাহারে গত ২২ জানুয়ারি মোশারফ ৭ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রীকে লাবনীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

এসএইচ