ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলায় জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নেতা খায়রুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক বাহাউদ্দিন ফারুকী আসামি খায়রুলকে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন।

গত শুক্রবার রাত ৯টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে খায়রুলকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য খায়রুল প্রকাশক ফয়সল আরেফীন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি সংগঠনটির তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।

ডিবির ভাষ্য, খায়রুল হত্যার জন্য টার্গেট করা ব্যক্তিদের বিষয়ে সব ধরনের খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করতেন। পরে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর হামলার পরিকল্পনা করতেন। তিনি নীলাদ্রি, দীপনসহ আরো কয়েকজনের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি করেছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, ‘খায়রুল ইসলাম, দুটা অপারেশনের ক্ষেত্রে ডাইরেক্টলি (সরাসরি) সে ভূমিকা পালন করেছে। একটা হলো নীলাদ্রি, আরেকটা হলো জাগৃতি প্রকাশনীর দীপন।’তিনি বলেন, ‘নীলাদ্রির বিষয়টাতে পাঁচ মাস পর্যন্ত তাকে (নীলাদ্রি) ফলো করে। জাগৃতি প্রকাশনীরটাও সে ফাইনালি রোড-ঘাট পর্যন্ত সব কিছু তথ্যাদি সংগ্রহ করে অপারেশনাল উইংকে সে এই ইনফরমেশনগুলো প্রোভাইড (সরবরাহ) করে।’

এমই