রাজধানীর উত্তরা এবং আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্যামলী পরিবহন থেকে পঞ্চাশ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছ র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ আব্দুল আলিম শেখ (৫০) এবং মোঃ শাহজাহান আলী(৩৬)।

শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা এগুলি উদ্ধার করে বলে টাইমনিউজবিডিকে নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র সহকারি পরিচালক মাকসুদুল আলম।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় চট্রগ্রাম হতে একটি মাইক্রোবাসের মাধ্যমে ঢাকা হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে মাদক চালান যাবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো-চ-১৩-৩০৭৪) রাজধানীর উত্তরা ৫নং সেক্টরে পৌঁছলে র‌্যাব মাইক্রোবাসটি থামিয়ে তল্লাশী করে। কিন্তু কোন মাদক না পাওয়ায় চালক মোঃ আব্দুল আলিম শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ীসহ র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ে আনা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সে একাধিকবার বিপুল পরিমাণে মাদক বিভিন্ন পরিবহনের চালক এবং হেলপারদের সাথে আতাত করে কয়েকটি চালান খুব সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই চালানটি চাপাইনবাবগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ী নূরু (৪৫) এবং আক্তার (৪৩) এর নিকট পৌঁছানোর কথা ছিল।

তিনি আরো বলেন, আইন-শৃংখলা বাহিনীর চোখ এড়ানোর জন্য সে নিজে মাদক চালানটি না এনে শ্যামলী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৬৬৮১) বাসটিতে বিশেষভাবে যাত্রীদের মাথার উপরে ল্যাগেজ রাখার জায়গায় স্পিকারের ভিতরের অভিনব পন্থায় চালানটি আনে। এতে আব্দুল আলিম শেখকে সহায়তা করে শ্যামলী পরিবহনের হেলপার মোঃ শাহজাহান আলী।

মাকসুদুল আলম বলেন, পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে জানাযায়, শ্যামলী পরিবহনটি ঢাকার মতিঝিলে অবস্থান করছে এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে। তখন র‌্যাব-১ এর আভিযানিক দলটি আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গিয়ে একটি চেকপোষ্ট স্থাপন করে এবং বিভিন্ন গাড়ী তল্লাশী শুরু করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে উক্ত শ্যামলী পরিবহন থেকে ৫টি কালো প্যাকেটে পঞ্চাশ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক চালানে জড়িত উক্ত বাসের হেলপারকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মাদক ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

এমআর