ভুয়া সাটিফিকেটে মাধ্যমে রাজউকের প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে পদোন্নতি গ্রহণ এবং কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদকের নিয়মিত সভায় রাজউকের ওই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য্য দুদক পরিচালক মো. আবু তোরাবের তত্ত্বাবধানে সহকারি পচিালক মো. আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া সাটিফিকেটধারী রাজউকের প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেনের নানা অপকর্ম, জালিয়াতি, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। এভাবে তিনি আজ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
দুদকের নিয়মিত সভায় আরও বেশ ক'জনের নানা অনিয়ম, জালিয়াতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য পৃথক অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এপিআইএস গ্লোব ড্রার্গস লিমিটেডের কর্পোরেট অফিসের (তেজগাঁও) কনসারটেন্ট সিফাকাত হোসাইনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধের কাঁচামাল ক্রয়ের নামে ভুয়া বিল ভাউচারে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
গত ১ জুন অভিযোগটি দুদকে আসে। পরে যাচাই বাছাই শেষে অনুসন্ধানের জন্য দুদকের নিয়মিত সভায় উপস্থাপন করা হয়। দুদকের উপ সহকারি পরিচালক মো. আজিজুল হকে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলার গোপালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা ডা. চৌধুরী শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে 'জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন হাম রুবেলা টিকাদান কর্মসূটি'- ২০১৪ এর বরাদ্দকৃত ১২ লাখ ৬ হাজার ৬১২ টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপ পরিচালক মো. বেনজীর আহমেদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর সাব রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জমির মূল্য বায়না রেজিষ্ট্রীর সাড়ে ১৫ লাখ টাকা সত্বেও সাফকবলা রেজিষ্ট্রীর সময় ওই জমির মূল্য মাত্র ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে রেজিষ্ট্রী সম্পন্ন করেন। ফলে সরকারের মোটা অংকের রাজস্ব ক্ষতি এবং দুর্নীতি বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য উপ পরিচালক মো. বেনজীর আহমেদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ঢাকা, একে, ৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





