সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) শীর্ষ নেতা সাইদুর রহমানসহ তিন জনকে ৭ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

আজ  বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ইমরুল কায়েস এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মামলার অপর দুই আসামিরা হলেন- আবদুল্লাহ হেল কাফী এবং তার স্ত্রী আয়শা আক্তার পলাতক রয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৯ ধারায় তিন আসামির সবাইকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও  ১ মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮ ধারায় তাদের ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সাজার রায় এসেছে।

এছাড়া ১০ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা প্রমাণ করতে না পারায় ওই ধারার অভিযোগ থেকে তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

রায় ঘোষণাকালে জেএমবি নেতা সাইদুর রহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত ১৮ মে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ মে কদমতলী থানার দনিয়া এলাকার একটি বাসায় আসামিদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি বই ও প্রচারপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কদমতলী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়।

এরপর ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের মধ্যে দিয়ে ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ আদালত এই ঘোষণা করেন।

এমবি