বাজারে নামী-দামি ব্র্যান্ডের নামে ভেজাল ঘিয়ের কারবার করছেন এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। কর্তৃপক্ষের দায়বোধের অভাবে দিনের পর দিন গ্রাম থেকে শহরের আনাচে কানাচে সর্বত্র চলছে এ অবৈধ ব্যবসা। রাজধানীর পুরাণ ঢাকার বেগম বাজারের একটি বাড়িতে সামাদ নামে এক অসাধু ব্যবসায়ী এ কারখানার পরিচালনা করছিল।
সোমবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর বেগম বাজারের ৭০/২ নম্বর বাড়িতে ভেজাল ঘি, ঘি তৈরির সামগ্রী, বাজারে নামীদামি বিভিন্ন ব্যান্ডের ঘিয়ের কৌটার উদ্ধার করে ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালত।
সামাদ মিল্ক ভিটা, প্রাণ, আড়ং, ভাগা বাড়ি ঘিসহ বাজারের নামীদামি বিভিন্ন ব্যান্ডের ঘিয়ের খালি কৌটা সংগ্রহ করেন তিনি। তারপর এসব কৌটায় ভেজাল ঘি পূর্ণ করে বাজারে বিক্রি করেন। দেখে বুঝার উপায় নেই আসল নাকি নকল ঘি।
সামাদ ভেজাল ঘি তৈরি করতে পামওয়েল, ডালডা ও রং ব্যবহার করে থাকেন। তারপর বিভিন্ন ব্যান্ডের কৌটা ভেজাল এই বিষাক্ত ঘি দিয়ে পূর্ণ করে।
কৌটার উপরের সিল ও উপরের দিকে সামান্য আসল ঘি ব্যবহার করা হয়। যাতে ক্রেতারা মনে করে এটিই আসল ঘি।
ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এইচএম আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এতে র্যা বের লালবাগ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর সোহেল হাসান ও কেরানীগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর শামীম উপস্থিত ছিলেন।
ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা বলেন, এখানে ভেজাল ঘি তৈরির খোঁজ পাওয়ার পর ভেজাল বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়।
তিনি বলেন, ভেজাল ঘি কারবারী সামাদ তিন বছর আগে একবার একই অপরাধের কারণে গ্রেফতার হন। তার জেলও হয়।
এ অপরাধের জন্য সামাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হবে জানিয়ে আনোয়ার পাশা বলেন, এ অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
ভেজাল ঘি ব্যবসা প্রসঙ্গে আনোয়ার পাশা জানান, ভেজালকারীরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘি এর খালি কৌটা সংগ্রহ করে। তারপর তারা এতে ভেজাল ঘি পূর্ণ করে বাজারজাত করছে। তারা একই সঙ্গে ভেজাল ও নকল ঘি বাজারজাত করছে।
ঢাকা, ১৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম)এসআর





