মসজিদ উন্নয়নের নামে প্রতারণা করে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’–এর সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার কমিশন এ অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা হলেন মসজিদ সমাজ বাংলাদেশের সভাপতি নুরুল ইসলাম গাজী, সাধারণ সম্পাদক মো. আয়ুবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন আহম্মেদ জোহা।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২৪ মার্চ এ অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক তালেবুর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একটি সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ মসজিদ সমাজ বাংলাদেশকে ২ হাজার ২২৩ বর্গফুট জমি দিয়েছিল ১৯৮১ সালের ৩ মার্চ।

রাজধানীর লালমাটিয়ায় ই-ব্লকের ৬ / ২৩ নম্বর প্লটের ওই জমিতেই প্রতিষ্ঠানটির অফিস। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে মসজিদের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে নিজেরা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিয়েছেন। দুদকের অনুসন্ধানে এর প্রমাণ পাওয়ায় মামলা করা হয়।

মামলাটির তদন্তও করেন তালেবুর রহমান। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মসজিদের নামে সরকারের কাছ থেকে জমি গ্রহণ করে সেই জমিতে ফ্ল্যাট তৈরির জন্য চুক্তি করে দুটি ডেভেলপার কোম্পানির কাছ থেকে ১ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

পরস্পর যোগসাজশে দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ হাজার টাকা ও সিটি ডুয়েলিং কোম্পানির কাছ থেকে ২৩ লাখ টাকাসহ মোট এক কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন তাঁরা।

তদন্ত কর্মকর্তার সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়। শিগগিরই বিচারিক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

ওএফ