জালিয়াত মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে স্থাবর অস্থাবর সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার রমনা মডেল থানায় দুদকের উপ-পরিচালক মীর মো: জয়নুল আবেদীন শিবলী বাদী হয়ে আসামি মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় ‘নন সাবমিশন’ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৫৪।
অনুমোদন দেয়া হয়।
জানা যায়, গত ২৪ মার্চ কমিশনের এক সভায় আসামি মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় ‘নন সাবমিশন’ মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়।
দুদকের অনুসন্ধানী টিমের পক্ষ থেকে গত বছর ১৯ অক্টোবর ৭ কার্য দিবসের মধ্যে মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠান। তিনি গত ১ জানুয়ারি দুদকের ওই নোটিশ নিজে সই স্বাক্ষর করে বুঝে রাখেন। পরে ১২ জানুয়ারি সময় চেয়ে দুদকে আবেদন করেন।
১৫ জানুয়ারি তাকে আরো ৭ কার্য দিবস সময় দেয়া হয়। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট সময় ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এমনকি দুদকে যোগাযোগও করেননি।
যারফলে কমিশন গত ২৪ মার্চ আসামি মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় ‘নন সাবমিশন’ মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়।
অভিযোগ রয়েছে; তিনি( মনিরুজ্জামান) মাত্র ১০ হাজার টাকা বেতনে মাহবুব গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। আর ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ২৫ দফায় নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার জমি কিনেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে স্থাবর-অস্থাবর মিলে প্রায় ১৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে দুদকে।
অভিযোগ রয়েছে; মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীম হলমার্কের সঙ্গে ভূয়া এলসি’র ব্যবসা করে রাতারাতি ওই অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
আর এদিকে দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনিদিষ্ট অভিযোগে পৃথক আরো একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে অনুসন্ধানী টিম।
একে





