টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী রুপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনকে ফাঁসি দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি আরেকজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছেন বিচারক। গত ২৯ নভেম্বর এই মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এরপর গত ৩ জানুয়ারি থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়।

পরে আট কর্মদিবসে বিচারিক হাকিম, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চার কর্মদিবসে আসামিদের পরীক্ষা এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপাকে চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্ষণ করে এবং বাসেই তাকে হত্যার পর মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে তার মৃত দেহ ফেলে রেখে যায়।

ঘটনায় জড়িত অভিযোগে গত ২৮ আগস্ট ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কে চলাচল করা ছোঁয়া পরিবহনের হেলপার শামীম, আকরাম, জাহাঙ্গীর, চালক হাবিবুর এবং সুপারভাইজার সফর আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সবাই এখন টাঙ্গাইল কারাগারে আছেন।

গত ১৫ অক্টোবর এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে পাঁচ আসামির বিরূদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন অভিযোগপত্র দাখিলের পরদিন ১৬ অক্টোবর মামলাটি বিচারের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়। গত ২৫ অক্টোবর আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

জেড