ভাউচার টেম্পারিং ও প্রতারণার মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংকের প্রায় চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় প্রাইম ব্যাংকের দুই ডিএমডিসহ প্রধান কার্যালয়ের আট কর্মকর্তাকে সাক্ষী হিসেবে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের আগামী ১ নভেম্বর সকাল ৯টা হতে বিভিন্ন সময়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন- প্রাইম ব্যাংকের ডিএমডি হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন ডিএমডি এ. এস. এম আনিসুল কবির, প্রধান কার্যালয়ের ভিপি মো. মোজাহিদ কবির, ইভিপি মো. মশিউর রহমান, এভিপি গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ ফজলুর রহমান পাটোয়ারী, এক্সিকিউটিভ অফিসার লুথফুন নাহার ও সিনিয়র অফিসার মো. আব্দুস সবুর।

অভিযোগের বিষয়ে মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভাউচার টেম্পারিং ও প্রতারণার মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংকের ৩ কোটি ৯২ লাখ ১৯ হাজার ১৪ টাকা টাকা আত্মসাত করেন।

২০১৫ সালের ৯ মার্চ এ অভিযোগে প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ ফজলুর রহমান পাটোয়ারী বাদী হয়ে রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তী সময়ে অভিযোগ তদন্তে দুদকে পাঠালে মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। এরই মধ্যে মামলার নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

ব্যাংকের দায়ের করা মামলায় আসমিরা হলেন- প্রাক্তন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মীর মো. সাইফুল ইসলাম, প্রাক্তন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. শাহজাহান আলী সরকার, ব্যাংকের প্রাক্তন ফ্যাসিলিটি স্টাফ মো. সালমান এফ রহমান ওরফে বাবু ও মো. জুলফিকার আলী।

কেএইচ