লন্ডনে বসে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি কবরেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউনুস খান এ পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউনুস খানের আদালতে অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল মানহানি ও্র রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে তারেক রহমানকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
পরে বেলা ২টায় বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে তারেক রহমানের নামে গ্রেপ্তারি জারি করেন।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের নামে চট্টগ্রামের আদালতও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ২টা পরে চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মশিউর রহমান চৌধুরী রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় এ পরোয়ানা জারি করেন।
বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজাকার’ বলায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে সকালে মামলাটি দায়ের করেন।
বাদীর পক্ষে মামলাটি আদালতে দাখিল করেন অ্যাডভোকেট রনি কুমার দে।
তখন আদালত বাদীর জবানবন্দী গ্রহণ করে অপেক্ষমান রাখেন। বেলা ২টার পর তারেক রহমানের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
নুরুল আজিম রনি বলেন, ‘তারেক রহমান লন্ডনে বসে বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা কটূক্তি করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়ডন্ত্র করছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় বাদী নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমুসহ চারজনকে সাক্ষী উল্লেখ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত লন্ডনে তারেক রহমানের দেয়া বক্তব্য এজাহারের সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২৩ এর ক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
জেআই





