সোনালী ব্যাংকের ৯ শাখার ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে ৭ হাজার কোটি টাকা লোটপাটের অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)।
আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টায় দুদকের উপ-পরিচালক মীর মো.জয়নুল আবেদীন শিবলী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
ওই ৩ কর্মকর্তা হলেন,নির্বাহী অফিসার শওকত আরা খানম, সিনিয়র নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল জব্বার,সহকারি জেনারেল ম্যানেজার নুর আহমেদ।
অভিযোগ রয়েছে, সোনালী ব্যাংক হোটেল রূপসী বাংলা শাখা, আগারগাঁও শাখা, গুলশান শাখা, লোকাল (স্থানীয়) কার্যালয়, মতিঝিল বৈদেশিক বাণিজ্য কর্পোরেট শাখা, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কর্পোরেট শাখা, চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখা, চট্টগ্রাম লালদীঘি কর্পোরেট শাখা এবং নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখার মাধ্যমে ভুয়া এলসি এবং ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।
আর এ লোপাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা এবং একটি জালিয়াত চক্র ব্যবসায়ের নামে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ উত্তোলনের মাধ্যমে পুরো টাকা লোপাট করেছেন।
জানা যায়, গত বছর ২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত দুদকের অনুসন্ধানী টিমের প্রধান মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের এমডি এন্ড সিইওর মাধ্যমে সংরক্ষিত রেকর্ড পত্রের সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করেন।
২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিদর্শন প্রতিবেদনের সত্যায়িত কপি।
সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ করপোরেট শাখার উপর সোনালী ব্যাংকের এডি শাখার ইন্সপেকশন সেল এবং এডি শাখার ইন্সপেকটশন এন্ড মনিটরিং ডিভিশনের ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের সত্যায়িত কপি পেয়েছে দুদক।
একে/এসএইচ





