অবশেষে ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির নথিপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সোনালী ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। শিগগিরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে, এই বিষয়টি দুদক কর্মকর্তাদেরকে টেলিফোন এবং চিঠির মাধ্যমে আশ্বস্ত করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত ১০ মার্চ অনলাইন দৈনিক 'টাইমনিউজবিডি.কম'-এ '৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি, দুদককে নথি দিচ্ছে না সোনালী ব্যাংক' শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি করছে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তরা। দুদকের অনুসন্ধানী কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তারা।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এর পর সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুদক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।
একই সঙ্গে গত ১৩ মার্চ সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে চিঠি পাঠিয়ে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ম্যানেজার/ ডেপুটি ম্যানেজারকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে দুদকের চাহিদা মোতাবেক নথিপত্রের সত্যায়িত ২ সেট প্রেরণের অনুরোধ জানানো হয়।
সোনালী ব্যাংকের এই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুদকের চাহিদা মোতাবেক নথিপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ সত্বেও এখনো প্রেরণ করা হয়নি।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের দ্বিতীয় দফা চিঠির চাহিদা মোতাবেক নথিপত্র সরবরাহের অনুরোধ সত্বেও আপনারা সারা দেননি। এর ব্যার্থতার দায়ভার আপনাদের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারদের উপর বর্তাবে।
জানা যায়, প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত সোনালী ব্যাংকের শাখাগুলো হচ্ছে; ঢাকায় লোকাল অফিস, বৈদেশিক বাণিজ্য কর্পোরেট শাখা, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কর্পোরেট শাখা, হোটেল রুপসী বাংলা (শেরাটন) কর্পোরেট শাখা, আগারগাঁও শাখা, গুলশান শাখা, নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ কর্পোরেট শাখা ও লালদীঘি কর্পোরেট শাখা।
দুদকের অনুসন্ধানী টিমের প্রধান মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী টাইমনিউজবিডিকে জানান, বহুল আলোচিত সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্ক, পারটেক্স গ্রুপের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির ঘটনা তদন্তকালে আরও শতাধিক প্রতিষ্ঠানের জালিয়াতি ও বিদেশে অর্থপাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।
দুদকের এই অনুসন্ধানী কর্মকর্তা গত বছর ২ ডিসেম্বর সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের ৫টি শাখা থেকে ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় নথি সরবরাহের অনুরোধ জানান।
কিন্ত সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে দুদকের পাঠানো ওই চিঠির আলোকে কোনো নথিপত্র পাঠায়নি। এমনকি অফিসিয়ালভাবে সোনালী ব্যাংক থেকে দুদকের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি।
পরে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের অনুসন্ধানী টিমের পক্ষ থেকে মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী দ্বিতীয় দফা নথিপত্র চেয়ে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও সাড়া দেয়নি সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর অবশেষে দুদকের চিঠির আলোকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেয়ার বিষয়ে সাড়া দিচ্ছেন সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
[b]ঢাকা, একে, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
অবশেষে দুদককে ঋণ জালিয়াতির নথি দিচ্ছে সোনালী ব্যাংক
অবশেষে ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির নথিপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সোনালী ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। শিগগিরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে, এই বিষয়টি দুদক কর্মকর্তাদেরকে টেলিফোন এবং চিঠির মাধ্যমে আশ্বস্ত করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
গোপন সনদে বাল্যবিয়ে জালিয়াতির ফাঁদে কিশোরীদের আইনি সুরক্ষা
সরকারি নিবন্ধন খাতাকে পাশ কাটিয়ে নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে ‘গোপন রেজিস্টারে’ চলছে নাবালক-নাবালিকাদের বাল্যবিয়ে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিয়ের তথ্য আলাদা খাতায় সংরক্ষণ করছেন একশ্রেণীর অসাধু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার (কাজী)। পরবর্তীতে ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয় বিয়ের মূল নকল (কাবিননামা)। রেজিস্ট্রেশনের এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে আইনি সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সংস্থাটির তদন্ত চলার মধ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ডিজিটাল বিবাহ জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ ও বিবাহসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেয়ার জালিয়াতি মামলায় আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি চুপ্পু
দুর্নীতি, প্রতারণা, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক জোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহলের মামলার আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ মামলায় তার সাথে রয়েছেন আরো ১৯ জন।
৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।
















