চাঞ্চল্যকর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত, মূল আসামি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ওরফে মিনার চৌধুরী হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন।
একইসঙ্গে মিনারকে কেন স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয় রুল করেছেন আদালত।
বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার মিনারকে জামিন দেন।
আদালতে মিনারের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেডআই খান পান্না। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
পরে রাষ্টপক্ষের আইনজীবী মাসুদ হাসান চৌধুরি সাংবাদিকদের জানান, মিনারের এক আবেদনের শুনারি শেষে মিনারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তিনি বলেন, আমরা এ হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করবো।
এর আগেও গত ১৫ জুলাই মিনার চৌধুরীকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
একইসঙ্গে মিনারকে কেন স্থায়ীভাবে জামিন দেয়া হবে না, সে মর্মে রুলও জারি করে আদালত। এরপর ১৭ জুলাই সে কারাগার থেকে মুক্তি পায়।
পরবর্তীতে ২০ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মিনারকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পন করার নির্দেশ দেন। আজ আবার তিনি হাইকোর্ট থেকে একরাম হত্যা মামলায় জামিন নিলেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৭ মে একরামুল হক হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মাহতাব উদ্দিন মিনারকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। মাহাতাব উদ্দিন ফেনী জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক।
একই বছরের ২০ মে ফেনীর একাডেমি এলাকার বিলাসী সিনেমা হলের সামনে প্রকাশ্যে ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হককে গুলি করে ও পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও গাড়িচালকও দগ্ধ হন।
এদিন রাত ১টার দিকে নিহত একরামুল হকের বড় ভাই তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন মিনারকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতপরিচয় ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ফেনী সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
কেএইচ





