বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করায় এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও জামায়াত-শিবিরের ৫ নেতার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলের শুনানীর জন্য আগামী ২২ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

জামায়াতের ৫ নেতা হলেন— সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান।

চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আসামীপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানীর জন্য এ দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

আদালতে জামায়াত নেতাদের পক্ষে এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ১১ পৃষ্টার লিখিত জবাব দাখিল করে শুনানীর জন্য সময় আবেদন করেন।

অপরদিকে তাজুল ইসলামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও এ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষে এ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম ও তুরিন আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে তাজুল ইসলামের পক্ষে সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদোজ্জা বাদল ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা সম্বলিত লিখিত জবাব দাখিল করেন।

জেয়াদ আল মালুম জানান, তাজুল ইসলাম আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। আর জামায়াত নেতারা জবাবের জন্য সময় চেয়েছেন।

গত ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় নিয়ে মন্তব্য করায় এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও জামায়াত-শিবিরের ৫ জনকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) দেন আদালত।

ওই দিন শোকজ নোটিশে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না’ এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়ার পর এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন ‘ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়েছে সেটা গ্রহণ না করে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা হলেই সুবিচার হতো।এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ফাঁসি তো দূরের কথা প্রসিকিউশনের জরিমানা করা হলে ভালো হতো।’

এএইচ