সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ৩ মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ (২৩ নভেম্বর) শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারক মোহাম্মদ হাকিম শফিউল আজম এই আদেশ দেন।
আজ দুপুরে মিলনকে কচুয়ার বিশেষ আদালতে হাজির করা হলে আদালত আসামির পক্ষের আইনজীবীর কথা শুনে আগামী রোববার (২৫ নভেম্বর) শুনানির দিন ধার্য করে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।
মিলনের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, ছিনতাই এবং চাঁজাবাজি’সহ মোট ২৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ আজ মিলনকে ২০০৬ সালের একটি হত্যা, ২০১০ সালের একটি হত্যার চেষ্টা এবং ২০১১ সালের একটি চাঁদাবাজি মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখায়। এসময় আদালতে এইসব মামলার নথি উপস্থাপিত না হওয়ায় বিচারক মোহাম্মদ শফিউল আজম মিলনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার ভোররাতে চট্টগামের চকবাজার থানার ৪৫২ চট্টেশ্বরী রোডের ‘মমতাজ ছায়ানীড়’নামের তার বন্ধুর বাসা থেকে আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে গ্রেফতার করে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ। মিলনকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সফিউল আজমের আদালতে হাজির করা হয়।
মিলনের আইনজীবী কামরুল ইসলাম জানান, তাঁর মোয়াক্কেল যেহেতু অসুস্থ। তাই আদালতের কাছে সুচিকিৎসার জন্যও আবেদন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আগামী রোববার মিলনের জামিনের বিষয়ে শুনানি করতে আদালতে পৃথক আরেকটি আবেদন করা হয়েছে।
কামরুল ইসলাম জানান, মিলনের বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে, সবগুলোই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দায়ের করা।
এমবি





