সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে (১৯) গণধর্ষণের মামলার এজাহার নামীয় ৬নং আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাসুমের ৫ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবুল কাশেম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তায় মাহফুজুর রহমান মাসুমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার এসআই ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আসামিদের ৭ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি সৈয়দ শামীম আহমদ এইসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন ওই তরুণী। ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী মিলে স্বামীসহ ওই তরুণীকে তুলে নেয় কলেজ ছাত্রাবাসে। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে বধূকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে রাত ১২টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে (ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র।
এখন পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। বাকি আছেন শুধু তারেকুল ইসলাম তারেক। সন্দেহভাজন দুজনসহ মামলায় মোট ৭ জন গ্রেফতার হয়েছেন।
এমবি





