ভারতে স্বর্ণ পাচারের অন্যতম রূট হিসেবে ব্যবহত হচ্ছে যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তিন জেলা। ভারতীয় চোরাকারবারি এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় এই কাজ হয়ে আসছে। নানা সময় চেষ্টা করেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চোরাকারবারিরা বেনাপোল স্থলপথ দিয়ে স্বর্ণ পাচার করে এর বিনিময়ে ভারত থেকে আনছে হেরোইন, ফেনসিডিল ও আগ্নেয়াস্ত্র। খবর ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের।

আন্তর্জাতিক স্বর্ণ পাচারকারী চক্রের আটক এক সদস্য বলেন, দুবাই থেকে স্বর্ণ কেনার পর আমরা তা ঢাকায় নিয়ে আসি। এরপর বেনাপোল হয়ে কলকাতা দিয়ে স্বর্ণের চালানগুলো গন্তব্যে পৌঁছানো হয়। আমাদের কাজের সঙ্গে স্থানীয় কেউ জড়িত নয়। আমরা পেটের জন্যই এসব করেছি। এটাই শেষ, ছাড়া পেলে আর কখনও এসব করব না। কাপড়ের ব্যবসা করব এবং তা দিয়েই রুটি-রুজির ব্যবস্থা করবো।

এই ব্যক্তির নাম রাকেশ লক্ষণ। তিনি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ থেকে স্বর্ণ পাচারে জড়িত তিনি। পুলিশের কাছে আটক থাকা অবস্থায় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে জানান তার কাজের পন্থা।

সম্প্রতি যশোরের বিভিন্ন এলাকায় পাচারের সময় আটক হয়েছে স্বর্ণের বেশ কয়েকটি চালান। চোরাকারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্বর্ণ পাচারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় ঢাকা-যশোর-কলকাতা রুট।

যশোরের পুটখালী ও ঘিবা, ঝিনাইদহের মহেশপুর, সাতক্ষীরার কলারোয়া এবং দর্শনা সীমান্ত দিয়েও পাচার হয় স্বর্ণ।

যশোর ও বেনাপোল রুটে গত এক মাসে সাড়ে পাঁচ কেজি স্বর্ণ ও পাঁচজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশি স্বর্ণ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি।

ঢাকা, ০৯ জুলাই(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস