রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে বড় ধরণের পরিবর্তন হতে পরে। এমাসেই এ পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুনভাবে নিয়োগ হবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে।
গত ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের পরে নতুন সরকার গঠন করে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো আইন, বিচার ও নির্বাহী বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।
তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগ পেতে অনেকেই সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তদবির শুরু করেছেন।
আবার এমন গুঞ্জনও রয়েছে বর্তমান অ্যার্টনি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমই কি পরবর্তীতে স্বপদে পদে বহাল থাকছেন, নাকি নতুন কোন মুখ আসছেন?
গত ১৩ জানুয়ারি বর্তমান রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম পাচঁ বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছেন।
সূত্র জানায়, অ্যার্টনি জেনারেলসহ রাষ্ট্রীয় আইন কর্মকর্তাদের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে।
তবে গত সরকারের সময় যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাদের নিয়োগ দেয়া হবে কিনা, তাও মাথায় রাখছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সরকারের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যেমন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্ব দিচ্ছেন, তেমনি দেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা নিোগের বিষয়টিও স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নিজে সতর্কতার সাথে দেখছেন।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকতা হিসেবে বেশ কয়েক জন আইনজীবীর নাম উঠে এসেছে। সরকারের আইন মন্ত্রণালয় সুত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নতুন অ্যার্টনি জেনারেল হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজমালুল হোসেন কিউসি, অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আক্তার ইমাম, অ্যাডভোকেট এএফএম মেজবাহ উদ্দিন ও অ্যাডেভাকেট তৌফিক নৌয়াজ।
তবে এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই বর্তমান অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ খলিলুর রহমান (এমকে) রহমানও। সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে বর্তমান অ্যার্টনি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমই থেকে যাচ্ছেন তার পদে। একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে সুনামের সাথে দলে তার ক্লিন ইমেজ রয়েছে বলেও জানান আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা।
কিন্তু সম্প্রতি অ্যার্টনি জেনারেলের কার্যালয়ে ৭৬ জন তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত দুনীর্তির অভিযোগ উঠায় বেকায়দায় রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। যদিও এই নিয়োগে তিনি ব্যাক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে কর্মচারি নিয়োগ কমিটির প্রধান আহ্বায়ক ছিলেন অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল অ্যাডভোকেট এমকে রহমান।
অপরদিকে অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল,ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যার্টনি জেনারেল পদেও ফেব্রুয়ারিতে বড় ধরণের পরিবর্তন আসছে বলে সুত্রে জানা গেছে। সে ক্ষেত্রে অ্যার্টনি জেনারেলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বাদ যেতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
সুত্র আরও জানায়, এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন আইনজীবীর ডিপুর্টি ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যার্টনি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রায় চুড়ান্ত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, গত সরকারের আমলে আমি নিয়োগ পেয়েছি। এখনো স্বপদে আছি। সরকার পরিবর্তন হয়েছে আইন কর্মকর্তাদেরও পরিবর্তন হবে এটাই নিয়ম।
তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয় আইন কর্মকর্তাদের আইন মোতাবেক নিয়োগ দেবেন। কে নতুন অ্যাটর্নি হচ্ছে অথবা আমি নিজে থাকব কিনা তা সরকারই নির্ধারণ করবেন।
অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান বলেন, মেয়াদ পূর্ণ বিধায় আইন কর্ম কর্মকর্তার অফিস আবারো পূনর্গঠন করা সরকারের কাজ। সরকার আইন অনুযায়ী নিয়োগ দেবেন। আমরা এটা নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমাদের কাজ মামলা পরিচালনা করা। আমরা তাই করছি।
[b]ঢাকা, জিই ফেব্রয়ারি ৭, (টাইমনিউজবিডি.কম) // কে বি [/b]
অপরাধ
পূনর্গঠিত হচ্ছে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে বড় ধরণের পরিবর্তন হতে পরে। এমাসেই এ পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুনভাবে নিয়োগ হবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে।





