নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন র‌্যাব-১১ এর আরও দুই সদস্য।

তারা হলেন- নরসিংদী ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর সুরুজ ও গোলদার শহরের পুরাতন কোর্টস্থ র‌্যাব-১১ এর ক্রাইম প্রিভেনশনাল স্পেশাল কোম্পানির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ গোলদার।

নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনী রূপমের আদালতে সোমবার বিকালে মেজর সুরুজ এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিনের আদালতে এসআই পলাশ গোলদারের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

সাত খুনের মামলায় এ পর্যন্ত র‌্যাব-১১ এর আট সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এর আগে ১০ আগস্ট সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শাহরিয়ার ও নায়েক নাজিম, ৪ আগস্ট নায়েক আবদুর রাজ্জাক ও সিপাহী আলী আজম এবং ২২ জুলাই আবদুস সালাম ও আবদুল সামাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা সকলেই সাতজনকে অপহরণ ও কিলিং মিশনের প্রত্যক্ষদর্শী।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, র‌্যাবের দুই সদস্য সাত খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। দুজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

সাক্ষ্য দেওয়া র‌্যাবের দুই সদস্য আদালতকে জানান, অপহরণ থেকে শুরু করে সাতজনকে অজ্ঞান করে গাড়িতে করে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া, তাদের হত্যার পর কাঁচপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে ওঠানোর পর প্রত্যেকের মৃতদেহের সঙ্গে রশি দিয়ে বস্তাবন্দি ইট বাঁধা এবং মদনগঞ্জের চরধলেশ্বরী এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে নিয়ে ফেলে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে র‌্যাবব-১১ এর দায়িত্বরতরাই জড়িত ছিল। তারা শুধুমাত্র আদেশ পালন করেছেন।

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই