জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় বহাল থাকায় ‘রাজপথের আন্দোলন জয়ী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।
আজ মঙ্গলবার সকালে রায় ঘোষণার পর শাহবাগে এক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
ইমরান এইচ সরকার বলেন, জামায়াতের অর্থ-প্রতিপত্তি ব্যবহার করে এ রায় প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন মীর কাসেম। এ রায়ের মাধ্যমে আদালত আবারও প্রমাণ করলো কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত আপস করে না।
তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্যে দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যড়যন্ত্র পরাজিত হয়েছে। এসময় তিনি মীর কাসেমের দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানান।
ইমরান বলেন, ধনকুব যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমকে রক্ষার জন্য দেশবিরোধী অপশক্তির সকল ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত পরাজয় হয়েছে এই রায়ের মাধ্যমে। এই রায়ের মাধ্যমে দেশবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রের বিপরীতে বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতার বিজয় অর্জিত হয়েছে, প্রমাণিত হয়েছে ন্যায্য আন্দোলনের শক্তির কাছে কোনো ষড়যন্ত্রই বাধা হতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে এই রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে।একইসাথে আমরা আশা করছি জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীসহ বাকি যে মামলাগুলো আপিল বিভাগে ঝুলে আছে তারা সেগুলোও দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেবেন।
‘কেননা আমরা এর আগেও দেখেছি, এই যুদ্ধাপরাধী চক্র সর্বশক্তি দিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করে, যাতে সেই সুযোগে তারা নতুন করে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করার সুযোগ পায়। এমনিতেই ৪৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে, এখন আদালতের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করুন, যাতে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত না হয় এবং দেশবিরোধী অপশক্তি নতুন করে ষড়যন্ত্রের সুযোগ না পায়।’
এসটি





