রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ ১৭ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে আটকের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা এই ইয়াবা ব্যবসার কাজ দির্ঘ্য পনের বছর ধরে চালিয়ে আসছে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গ্রেফতার কৃতরা হলেন, মো. ইয়ামিন, তার সহযোগী মো. সাহেদ শেখ ও মো. তুষার আহম্মেদ। রবিবার বিকেল ৫টার দিকে যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, যাত্রাবাড়ির শ্যামপুর হয়ে ওই তিনজন একটি নীল রংয়ের নোআহ মাইক্রোবাসে করে ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বড় চালান নিয়ে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসছে। পরে ওই এলাকার সম্রাট কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ব্যারিকেট দিয়ে তাদের আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ওই গাড়িটি তল্লাশি করে পিছনে একটি গ্যাস বিহিন ভূঁয়া গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করা হয়। ওই গ্যাস সিলিন্ডারের সাথে গাড়ির কোন সংযোগ দেওয়া ছিল না।

ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করার ব্যাপারে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার বলেন, তারা ঢাকায় এসে ৭ থেকে ৮ জনের কাছে ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করত। গ্রেফতার কৃত মো. ইয়ামিন এই দলের মূল নেতা। সে গত ১৫ বছর ধরে এ কাজ করে আসছে।

তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও অনেক নাম পাওয়া গিয়েছে। অনেক সহযোগীর নাম পাওয়া গিয়েছে। আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার জন্য আদালতে তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আরও যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আটক ইয়ামিনকে এর আগেও গ্রেফতার হয়েছিল। সে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তাকে নজরদারিতে রাখা হয়।

এমআর